তার গুলিসুতোর বাক্সে অনেক রং। শৈশবের শারদীয়া আর যৌবনের বসন্তোৎসবের শেষে নামে জীর্ণ শীতের বেলা। তবু যেদিন রাত্রির আলোছায়া বুননে বুননে জীবনের নকশিকাঁথা আঁকল
সম্পর্ক। এই ভাঙা-গড়ার টানাপোড়েন চলে তিন প্রজন্মের ওসমান
বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র চর্চার শুরু হয়েছিল যদিও বিশ দশকের শেষে
ছবি ও কবিতার এক নিবিড় সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে এই গ্রন্থে। প্রির্যাফেলাইট কবিদের মতো এই কবিও একজন চিত্রকর। দর্শনা দুর্গা পুজোর মণ্ডপেই হারিয়ে গেছে। সারারাত কলেজ স্কোয়ার
প্রান্তিক মানবের সঙ্গে স্বার্থসর্বস্ব নিরন্তর ছলনা- তাঁর কবিতার বিষয়।একমুঠো ভাতের আকাঙ্খাকায় এই নিরন্ন মানবদল বারবার পা দিয়েছে সহৃদয়তার ভেকধারী মেকি সভ্যতার ফাঁদে। সুবিনয়ের যাবতীয় দ্রোহ এই মানবিক মুখোশধারী অমানবিক ভদ্রসমাজের বিরুদ্ধে। কবিতার পঙ্ক্তিতে তিনি যেন অনল-শ্লোক রচনা করেন- ‘উপোসি অক্ষর থেকে অগ্নিবিন্দু ঝরে’। খাদের কিনারায় দাঁড়ানো বঞ্চিত মানুষের প্রতিভূ হয়ে সুবিনয় তাঁর কবিতার প্রত্যাঘাত হানেন। একলব্যের মতো তিনিও যেন তূণধারী বলিষ্ঠ এক যোদ্ধা। নিজের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ কিছুতেই তিনি জলাঞ্জলি দেবেন না। অনমনীয় জেদে তিনি তাই অনবরত বিদ্ধ করেন এই সময়কাল ও সভ্যতাকে। ‘ভাবের ঘরে চুরি’-যে সভ্যতার পরিধেয় আবরণ।
না হাইকু না মহাভারত #রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় তার গুলিসুতোর বাক্সে অনেক রং।Na Haiku Na Mahabharat : : 64 , , , , , , , , , , , , , , (cm) : 1. 3 (l) X 14. 3 (b) X 21. 9 (h)